আদর্শের লড়াই বনাম বাস্তব সমাধান: বাংলাদেশে প্রাগমাটিজম কেন জরুরি
চায়ের কাপ থেকে টকশো—সবখানেই আমরা আদর্শ নিয়ে লড়ে যাই। কিন্তু আসল প্রশ্নটা প্রায়ই হারিয়ে যায়: এই তত্ত্ব বা নীতি কি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করছে?
এখানেই দরকার প্রাগমাটিজম বা প্রয়োগবাদ—একটি দর্শন যা বলে, কোনো আইডিয়া কতটা সুন্দর শোনায় সেটা বড় কথা না, বাস্তবে সেটা কাজ করে কিনা সেটাই আসল।
রাজনীতি-অর্থনীতি: নীতি সমাজতান্ত্রিক না পুঁজিবাদী, সেটা মুখ্য না। প্রশ্ন হওয়া উচিত—এটা কি বেকারত্ব কমায়, মূল্যস্ফীতি ঠেকায়? যা কাজ করে, সেটাই নেওয়া উচিত।
শিক্ষা: মুখস্থবিদ্যা দিয়ে ডিগ্রি বাড়লেও চাকরি বাড়ছে না। দরকার কারিগরি দক্ষতা আর "কাজের মধ্য দিয়ে শেখা"—জন ডিউই যেমন বলেছিলেন।
প্রশাসন: ফাইল আটকে থাকা মানে নিয়ম রক্ষা পেল, মানুষ ভুগল। নিয়ম মানুষের সুবিধার জন্য, তার উল্টোটা না।
তরুণসমাজ: "লোকে কী বলবে" ভেবে ডিগ্রি বা চাকরির পেছনে না ছুটে, নিজের স্কিল আর অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিকে নজর দেওয়াই বাস্তবসম্মত পথ।
২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের আর তাত্ত্বিক বিলাসিতার সময় নেই। যেদিন আমরা "কে কোন দলের" ভুলে "কাজটা কত দ্রুত ও কার্যকর হচ্ছে" মাপতে শিখব, সেদিনই প্রকৃত পরিবর্তন আসবে।